ইতিহাস :স্বাধীনতার ৪৪ বছর পর

শেয়ার করুনঃ

মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের সাথে এক ধরনের কষ্ট আর বেদনার বোধও মিশে আছে। সে বেদনা মুক্তিযুদ্ধে অনেকের প্রিয়জন হারানোর বেদনা, তার সব কষ্টে জড়িয়ে আছে এক ধরনের গর্ব। সুতরাং স্বাধীনতার সাড়ে চার দশক পরও ইতিহাসের গতি-প্রকৃতি নিয়ে অনেকের মতান্তর রয়েছে। কিন্তু সেখান থেকে বেরিয়ে আসা দরকার।

মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল), আরাপপুর, ঝিনাইদহ

স্বাধীনতার চার দশক পরেও ইতিহাসের গতি প্রকৃতি নিয়ে যে মতান্তর তার পেছনে শুধুই আত্মপ্রচার ও আত্মস্ব্বীকৃতির উন্মাদনা। ইতিহাস ইতিহাসই। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ইচ্ছা অনিচ্ছায় রচিত যে কল্পকাহিনী তার যতই ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার করা হোক না কেন ইতিহাসে তার স্থান কোনো দিনই হবে না। বা তা ইতিহাসও নয়। দেরিতে হলেও সময়েই বলে দেবে কোনোটি ইতিহাস কোনোটি নয়। এমনকি ইতিহাসের গতি প্রকৃতিও।

এ কে এম শাহজাহান

জেলা শিক্ষা অফিসার, কিশোরগঞ্জ

ইতিহাসের বাস্তবতা হচ্ছে, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অর্জিত বাংলাদেশের ইতিহাস নিয়ে পঁচাত্তর পরবর্তী বেশ কিছু বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছিল। এখনো এক শ্রেণির লোক এ অপপ্রয়াসে সামিল আছে। আসলে এই নোংরা, দুর্গন্ধময় ব্যক্তিরা সময়ের স্বাভাবিক নিয়মে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপিত হবে। রাজাকার আলবদরদের তালিকা করা প্রয়োজন। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের জন্যে দেশ জাতি, সমাজকে আরো বেশি সহযোগিতার হাত নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

ফাহমিন আফরোজ

ধানমন্ডি, ঢাকা

স্বাধীনতার চার দশকের পরেও স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে এখনও তর্ক বিতর্ক চলছে। চলবেই। এক সরকার এলে একভাবে আর আরেক সরকার এলে অন্যভাবে হয়ে থাকে। এই যে মত ও মতান্তর চলছে এটা ঠিক হচ্ছেনা। সঠিক ইতিহাস পেতে হলে আরও অনেক বছর অপেক্ষা করতে হবে। কাল থেকে কালান্তরে যে ইতিহাস থাকবে সেটাইতো প্রকৃত ইতিহাস। তাই ইতিহাস নিয়ে টানাটানি করা সঠিক নয়।

জসিম উদ্দিন

তাজমহল রোড

আজ উত্সাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো মহান বিজয় দিবস। শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতাসহ মুক্তিযুদ্ধের শহীদের। স্বাধীনতার সাড়ে চার দশক পরেও ইতিহাসের গতি প্রকৃতি নিয়ে স্বাধীনতা বিরোধীরা কথা বলছে। এটা মেনে নেয়া যায় না।

পারভীন আক্তার

হাজারীবাগ পার্ক, হাজারীবাগ, ঢাকা

৪৪তম মহান বিজয় দিবস পালিত হলো। এ দিন বাঙালির নতুন জন্ম দিন। বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী আর তাদের এদেশীয় দোসর শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর, আল শামস্ বাহিনীকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করার দিন। এ দিন স্বাধীন জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার দিন। সুতরাং সত্যিকারের ইতিহাস জানা দরকার। ভুল কোনো তথ্য দেয়া ঠিক নয়।

আবদুল মালেক মিয়া

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও দলিল লেখক

মিরপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, ঢাকা

জাতির অতীত ইতিহাসে গৌরবগাথা ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত মূল্যবোধগুলো অবশ্যই আমাদের সবাইকে স্মরণে রাখতে হবে।

হাসান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী

কবির হাট, নোয়াখালী

১৯৭১ মাসের ১৬ ডিসেম্বর দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করি। এ অর্জন যতটুকু সহজ বলে মনে করা হয়, ততটা সহজ ছিলো না। বিজয়ের মাসে আমাদের শপথ অবশ্যই স্পষ্ট হতে হবে। সকল বাধা-বিঘ্ন অতিক্রম করে জননেত্রীর নেতৃত্বে এগুতে হবে।

হোসনে আরা করিম নীলা

এনায়েতগঞ্জ লেন, পিলখানা, ঢাকা

১৯৭১ সালের অগণিত শহীদের আত্মত্যাগ, মা-বোনদের অশ্রু, বেদনা ও লাঞ্ছনার মধ্যে অর্জিত হয় আমাদের বিজয় ও স্বাধীনতা। স্বাধীনতার সাড়ে চার দশক পরেও ইতিহাসের গতি প্রকৃতি নিয়ে মতান্তর কাম্য নয়।

মো. হানিফ মিয়া

মনেশ্বর লেন, হাজারীবাগ, ঢাকা

২০২১ সালে বাঙালি জাতি স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করবে। এখনও ইতিহাস বিকৃতি প্রত্যাশিত নয়।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী

দেশে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরা নামে-বেনামে বিভিন্ন একাত্তরের মতোই এখনও রাষ্ট্র ও সমাজবিরোধী-কর্মকাণ্ডে জড়িত। এরা ইতিহাসের গতিপথ বদলে দিতে চায়। এদের সম্পর্কে আমাদের সাবধান থাকা দরকার।

এস কে মো. রমিজউদ্দিন

প্রশিকা, প্রধান কার্যালয়, মিরপুর-২, ঢাকা

ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক হওয়া না হওয়া কোনো বিষয় নয়। তবে সঠিক ইতিহাস আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা একান্ত জরুরি।

শিশির

পিলখানা, ঢাকা

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রিয় আমাদের মাতৃভূমিকে হানাদারমুক্ত করে ৩০ লক্ষাধিক প্রাণ ও মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে মহান বিজয় অর্জন করি। তাই এই বিজয়কে সার্থক করতে হলে সত্যিকারের ইতিহাস আমাদের জানতে হবে।

মো. মেজবাহ উদ্দিন সেলিম

ভোলা ড্রাগ হাউজ, ইব্রাহিমপুর, ঢাকা

পৃথিবীর সবদেশেই ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক ছিল, আমাদের দেশও তার ব্যতিক্রম নয়। ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর ৯ মাস যুদ্ধের পর বিজয় ছিনিয়ে এনেছে এদেশের মানুষ। সেই অর্জনকে কোনভাবেই অবহেলা করা ঠিক নয়। অত্যন্ত যত্নসহকারে সেই ইতিহাস লালন করা দরকার।

আলফাজ

দিনাজপুর

পৃথিবীর সকল দেশেই ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক হয় এবং সেই বিতর্কের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের যে আসল সত্য বেরিয়ে আসে তা অস্বীকার করার কারণ নেই। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক নয়, মত ও মতান্তর নয়; বরং যা হয়েছে এবং এখনও প্রতিনিয়ত হচ্ছে তা হলো অত্যন্ত সচেতনভাবে স্বার্থান্বেষী মহল কর্তৃক পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস বিকৃতি। আমরা স্বাধীনতার দলিল নামক বহুখণ্ডে রচিত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস পেয়েছি। অথচ প্রথিতযশা গবেষকগণ গবেষণা করে দেখেছেন সেখানে আছে গুরুতর ইতিহাস বিকৃতি। কাজেই আমাদের মহান স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে মতান্তরও থাকতে পারে। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই লাখো শহীদের রক্তে কেনা এবং হাজারো মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে প্রাপ্ত ইতিহাস বিকৃতি কাম্য নয়।

ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

চৌমুহনী, হাজীপুর (আরমানভুঁইয়ারবাড়ি), বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী

৭৫ এর পট পরিবর্তনের পর জিয়াউর রহমান যে রাজনীতি শুরু করেন তা বাংলাদেশের মানুষকে দুটি ভাগে ভাগ করে দেয়। তিনি স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সাথে সোজা কথায় বেঈমানী করেছেন। ফলে বিতর্কের অবতারণা হয়েছে। এমনকি খালেদা জিয়ার সরকারও রাজাকার, আল-বদরদের মন্ত্রী-এমপি করেছেন, তাদের গাড়িতে তুলে দিয়েছেন জাতীয় পতাকা। তবে মনে রাখা দরকার ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না।

শ্রী অনুপম ঘোষ

শিক্ষার্থী, ক্যান্টনমেন্ট কলেজ যশোর

শতখালী, শালিখা, মাগুরা

গণতন্ত্রের অব্যাহত অগ্রযাত্রার পথে সব বাধা দূর করা দরকার। স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া দরকার।

মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহীদ উল্লাহ

স্টেডিয়াম সড়ক, ফেনী

মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ভাবতে একসময় লজ্জা পেতাম। বাবা মুক্তিযোদ্ধা বলে দেশ, মাটি, মানুষ, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে চিনতাম ও জানতাম। কিন্তু স্কুলে পড়ার সময় বইয়ের পাতার কোথাও মুজিব, মুক্তিযুদ্ধ ও জাতীয় চার নেতার কারো কোনো নাম-গন্ধও খুঁজে পাইনি। এমনকি স্বাধীনতার ঘোষকের নামও পাল্টে যায়। তারপর আরো লজ্জা পেলাম যখন দেখলাম জাতীয় পতাকা রাজাকার, আল-বদর বাহিনীর গাড়িতে শোভা পাচ্ছিল। তখন দেখলাম জাতীয় পতাকা খাবলে খাচ্ছে একাত্তরের পরাজিত শকুন। ওরা ইতিহাস পাল্টালো, দেশের প্রগতিশীল চিন্তাধারার লেখক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে পাকবাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা জাতিকে মেধাশূন্য করতে চেয়েছিল। কিন্তু না ওরা আমাদের মেধাশূন্য করতে পারেনি, সত্য চিরদিন সত্য। সূর্য যেমন নিজের আলোয় চারদিক আলোকিত করে; সত্য তেমনি বেরিয়ে এসে আমাদের সঠিক পথ দেখালো।

নিয়াজ রহামন শুভ

দক্ষিণ গোড়ান, খিলগাঁও, ঢাকা

সাড়ে সাত কোটি মানুষের অসীম ত্যাগ আর সাহসিকতার ফসল ছিল মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের দিন। যাদের অবদানই আজ স্বাধীন দেশ। এর পরও এর ইতিহাস গতি-প্রকৃতি নিয়ে নানা মতান্তর রয়েছে। সুতরাং সঠিক তথ্যটি জানা দরকার অবশ্যই।

জাহাঙ্গীর হোসোইন

পীরেরবাগ, ঢাকা

স্বাধীনতার সাড়ে চার দশক পরও ইতিহাসের গতি-প্রকৃতি নিয়ে মতভেদ থাকলেও সঠিক তথ্যটি আমাদের অনুধাবন করা দরকার।

মো. আজিজুল হক সাইদ

দলিল লেখক, মিরপুর-২, ঢাকা

স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন। আজ আমাদের দেশে স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তাই যতই দিন পরিবর্তন হোক স্বাধীনতার ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে মনেপ্রাণে লালন করা একান্ত কর্তব্য।

ডিনা

বাসাবো, ঢাকা

পৃথিবীর সব দেশেই সব সময় ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক ছিল ও বিতর্ক আছে। সুতরাং আমাদের এ দেশেও তার ব্যতিক্রম কিছু নয়। স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরও ইতিহাসের গতি-প্রকৃতি নিয়ে বিতর্কের অবসান হতে হবে।

জুয়েল

ঝিনাইগাতি, শেরপুর

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ছিল একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, যে রাষ্ট্রের মর্মবাণী হবে গণতন্ত্র, যে রাষ্ট্রে জাতি বর্ণ, ধর্ম নির্বিশেষে সব মানুষ মুক্তির আস্বাদ নিয়ে বসবাস করবে। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীরা এটাকে নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

জাহাঙ্গীর খান বাবু

মুন্সীগঞ্জ

স্বাধীনতা আমাদের সামনে সম্ভাবনার যে অনেক বড় দিগন্ত উন্মোচন করে দিয়েছে তার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করার ইতিহাস চর্চারও প্রয়োজন রয়েছে আমাদের। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সশ্রদ্ধ অভিবাদন জানাই।

রাসেল

মুগদা, ঢাকা

স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরও ইতিহাসের গতি-প্রকৃতি নিয়ে নানা জনের নানা মত রয়েছে। কেউ কেউ না জেনে ইতিহাসকে বিকৃতি করে ফেলেছে। সঠিক তথ্য না জেনে ভুল তথ্য নিয়ে পথ চলছেন। সুতরাং আমাদের দেশের স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাসকে জানতে হলে সঠিক তথ্যগুলো সম্পর্কে সজাগ হতে হবে। একটি দেশের ইতিহাস কোনোভাবেই ভুল তথ্য দিয়ে তৈরি করা যাবে না।

দুনিয়া নিজাম আহমেদ

বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ, ঢাকা

আমাদের বাংলাদেশে স্বাধীনতা নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে। এই স্বাধীনতা যুদ্ধে অসংখ্য মা বোন ইজ্জত হারায়। ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা। যারা এই স্বাধীনতাকে নিয়ে বিতর্ক করতে চায় তারা আমাদের রাষ্ট্র ও জাতীয় পতাকার সমালোচক, তাদেরকে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে বিচার করা প্রয়োজন।

কৃষিবিদ সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ

মহাসচিব বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ

কেন্দ্রীয় কমিটি। ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর পর থেকেই ইতিহাসের গতি প্রকৃতির ধারাকে বিভিন্ন সময়ে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। তরুণ প্রজন্মকে তারা স্বাধীনতার ইতিহাসকে বিকৃত করে তুলে ধরেছিল। এখন সময়ের সাথে দিনও পাল্টেছে। নতুন প্রজন্ম এখন জানতে পারছে স্বাধীনতার ইতিহাস। শুনতে পারছে গণতন্ত্রের ডাক। এ ধারাকে অব্যাহত রাখতে হবে।

শাহ মো. হেলালউদ্দিন হিরু

কালিহাতি, টাঙ্গাইল

ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক থাকা স্বাভাবিক। সব দেশেই এই বিতর্ক আছে। একজন বলবে এটা এইভাবে হয়েছে, অন্যজন বলবে না, এইভাবে নয় এইভাবে হয়েছে। বাংলাদেশের বেলায়ও তা লক্ষ্য করা যায়। তবে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা নতুন প্রজন্মের জন্য মঙ্গল।

আরিফ হাসান

শেখের টেক, মোহাম্মদপুর

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বিজয় অর্জন করি। মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে যারা হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসলীলা চালিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল, তারাই আজ স্বাধীনতার চার দশকের পরেও এই ইতিহাস নিয়ে মতভেদ সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের রাষ্ট্র, পতাকা, জাতীয় সংগঠনের মর্যাদা রক্ষায় তাদেরকে চিহ্নিত করে দেশের প্রচলিত আইনে বিচার করা একান্ত জরুরি।

এস এম আশরাফুল আলম

সদস্য পরিচালক

এগ্রিকালচারাল স্ট্রিক এন্ড ফার্মার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, হাজারীবাগ, ঢাকা

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস মূলত পৃথিবীর অন্যান্য দেশের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। কারণ স্বাধীনতার জন্য এত লোকের আত্মাহুতি আর কোনো দেশের নজীরে নেই। তাছাড়া ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে আমরা তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। কাজেই এই গৌরব আমাদের সবার। এদেশকে রক্ষা করা আমাদের প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব বলে আমি মনে করি।

আলহাজ্ব মো. হাফিজুল ইসলাম চৌ, হিফজু

সাংগঠনিক সম্পাদক

লোক সাহিত্য পরিষদ, রাজশাহী, ৬২০২

অনেক দেশ বিনা রক্তপাতে পরাধীনতা থেকে মুক্তি পেয়েছে। অথচ আমাদের দেশের স্বাধীনতা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে পাওয়া।

বজলুল করিম

রিসোর্স ইন্ট্রিগ্রেশন মেটার (রিক)

ধানমন্ডি, ঢাকা

১৯৭১ এর মতো গোটা জাতির ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই এদেশে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস রক্ষা করা সম্ভব।

রিফাত

বিবিএ, শান্ত মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়,

উত্তরা, ঢাকা

সূত্র : ইত্তেফাক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *